400.00 ৳ – 800.00 ৳ Price range: 400.00 ৳ through 800.00 ৳
খেজুরের পাটালি গুড় হলো খেজুরের গুড়ের মধ্যে সবচেয়ে ঘন এবং শক্ত রূপ। এটি মূলত শীতকালে (অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত) তৈরি হয় এবং বাঙালি ঐতিহ্যে এর ব্যবহার অনস্বীকার্য। ঝোলা গুড়কে আরও বেশি সময় ধরে জ্বাল দিয়ে যখন এটি জমাট বাঁধার অবস্থায় আসে, তখন নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢেলে এটি তৈরি করা হয়।
খেজুরের পাটালি গুড় হলো খেজুরের গুড়ের মধ্যে সবচেয়ে ঘন এবং শক্ত রূপ। এটি মূলত শীতকালে (অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত) তৈরি হয় এবং বাঙালি ঐতিহ্যে এর ব্যবহার অনস্বীকার্য।
ঝোলা গুড়কে আরও বেশি সময় ধরে জ্বাল দিয়ে যখন এটি জমাট বাঁধার অবস্থায় আসে, তখন নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢেলে এটি তৈরি করা হয়।
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
| আকৃতি ও টেক্সচার | এটি সাধারণত গোল বা চৌকো শক্ত খন্ড আকারে পাওয়া যায়। একেই পাটালি বলে। |
| তৈরি প্রক্রিয়া | খেজুরের রসকে ঝোলা গুড়, দানা গুড়, ইত্যাদি পর্যায় অতিক্রম করিয়ে সর্বশেষ ধাপে ঘন করে ছাঁচে ঢেলে জমাট বাঁধালে পাটালি তৈরি হয়। |
| স্বাদ | এর স্বাদ হয় তীব্র মিষ্টি এবং গাঢ় সুগন্ধযুক্ত। খাঁটি পাটালির স্বাদ অতুলনীয়। |
| রং | খাঁটি পাটালির রং সাধারণত কালচে-লাল বা গাঢ় বাদামী হয়। ভেজালমুক্ত পাটালি নরম হয় এবং বেশি শক্ত হয় না। |
| সংরক্ষণ | ঝোলা গুড়ের চেয়ে পাটালি গুড়ের স্থায়িত্ব বেশি। বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করলে এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। |
পাটালি গুড় মূলত তার শক্ত এবং ঘন টেক্সচারের কারণে জনপ্রিয়:
মিষ্টি তৈরিতে: এটি নলেন গুড়ের পায়েস, বিভিন্ন পিঠা (যেমন পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা), এবং বিভিন্ন মিষ্টি তৈরিতে অপরিহার্য। এর সুন্দর রং এবং গন্ধ খাবারের স্বাদ অনেক বাড়িয়ে দেয়।
সরাসরি খাওয়া: অনেকেই পাটালির টুকরা সরাসরি খেতে পছন্দ করেন।
জলখাবারে: রুটি বা মুড়ির সঙ্গে মেখে খাওয়া হয়।
ভেজালের ভিড়ে খাঁটি পাটালি গুড় চেনা খুব জরুরি:
নরম ভাব: খাঁটি পাটালি গুড় সাধারণত কম শক্ত হয় এবং রসালো থাকে। ভেতরটা বেশ নরম হয়।
রং: এটি বেশি সাদাটে বা চকচকে না হয়ে গাঢ় (কালচে-লাল) রঙের হয়।
দ্রবণীয়তা: খাঁটি পাটালি গুড় অল্প তাপমাত্রায় বা অল্প দিনে সহজেই গলে যায়।
স্বাদ: এর স্বাদ হবে বিশুদ্ধ খেজুরের রসের এবং এতে কোনো নোনতা বা টক স্বাদ থাকবে না।
+88 01601-668004
+88 01601-668004
ভেজালের ভিড়ে খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তা
অপণ্য হাতে পেয়ে নগদে পরিশোধ করুন!



